My Write-up

আমাদের পর্যটন শিল্প আমাদেরকেই বাচাতে হবে।

আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী! ওগো মা তোমায় দেখে দেখে আখি না ফেরে!… প্রতিটি সন্তানের চোখে যেমন সবচেয়ে সুন্দরতম মুখটি হল তার মায়ের, তেমনি প্রতিটি মানুষের কাছে মা-মাটি-দেশকে নিয়ে লেখা গান-কবিতা সবচাইতে শ্রুতিমধুর পঙতিমালা। কী অসাধারণ হৃদয়গ্রাহী করে রবিঠাকুর বাংলার রূপকে তার লেখা আর সুরের ক্যানভাসে তুলে এনেছেন। কবিতার মত যেন এই দেশ। ছন্দে-বর্ণে-গন্ধে সেই রূপ যেন বাংলার প্রতি অঙ্গে অঙ্গে ঠিকরে বের হচ্ছে।

যানজটের গ্যাড়াকলে চিড়েচ্যাপ্টা জীবনঃ মুক্তির উপায় কি?

ঢাকার বয়স বেড়ে গেছে। প্রায় ৪০০ বছর তার রাজধানী হবারই বয়স। একসময় তার রূপে মুগ্ধ হয়ে - একপাশে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গার টানে বহু বণিক সম্প্রদায় বাণিজ্য করতে এখানে এসেছে। এই এতগুলো বছরে মোঘল-ইংরেজ-পাকিস্তান-বাংলাদেশ কত শাসনামল দেখেছে আমাদের অতি প্রিয় ঢাকা শহর। সেই ঢাকা শহর কে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের জরিপ বিশ্বের সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহরের তিলক একে দিয়েছে (সুত্রঃ প্রথম আলো ১৪ই আগষ্ট,২০১২)। আজকের ঢাকা সব সৌন্দর্য্য হারিয়ে যান্ত্রিক নগরীতে পরিনত হয়েছে। দেড় কোটিরও বেশি জনসংখ্যার চাপাচাপিতে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত। অনেক নাগরিক সমস্যা তে জর্জরিত। যানজট সে

সাইবার অপরাধের বিষ মুক্তি

“যে পথ সকল দেশ পারায়ে উদাস হয়ে যায় হারায়ে.... সে পথ বেয়ে কাঙাল পরান যেতে চায় কোন্ অচিনপুরে।।"

খাবার যখন বিষ !!!

জ্যৈষ্ঠ মাস হলো বাংলার মধুমাস। বাজারে গেছি আম কিনতে। আমের যা দাম তাতে আমের গায়ে হাত দেয়াটা রীতিমত কষ্টকর। তারপরও বছরের আম বলে কথা। না খেতে পারলে কি আশ মেটে! দোকানদারের সাথে দামদর করছি। পাশের দোকানে উচ্চস্বরে রেডিও বাজছে। ‘...লইজ্জা!...আরে ওইখানেও প্রিজারভেটিভ আছে...।’ হঠাৎ শুনতে পেলাম পিছনে একটি বাচ্চা মেয়ে তার বাবা কে প্রশ্ন করছে, ‘বাবা প্রিজারভেটিভ কি?’ প্রশ্নটা শুনে নিজেই কেমন যেন হকচকিয়ে গেলাম। তাইতো প্রিজারভেটিভ জিনিষটা কি?

বাংলাসাহিত্যের নক্ষত্রের বিদায়

‘চির বন্ধু-চির নির্ভর-চির শান্তি তুমি হে...’ রবিঠাকুরের এই লাইনগুলো বার বার মনে পড়ছে। হুমায়ুন আহমেদ স্যারের সাথে আমার বয়সের পার্থক্য অনেক। আমি তার তুলনায় অতি নগণ্য- কি সাহিত্যে, লেখায়, পান্ডিত্যে-এমনকি বয়সের পার্থক্যে। তারপরেও তিনি কেমন করে আমার বন্ধু হয়ে গেলেন সেটা একটা ভাবনার বিষয়। আমাদের প্রজন্ম, আমাদের আগের বা পরের প্রজন্ম কে হাতে ধরে বই পড়া শিখিয়েছেন। বই এর সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে দিয়েছেন হুমায়ুন স্যার। মনে পড়ে, সেই ছোট্ট বেলা থেকে আমি আমার এবন্ধু-ওবন্ধুর কাছ থেকে ধার করে তাঁর বই পড়তাম। আর পরবর্তিতে প্রতি বইমেলাতে গেলে স্যারের উপর খুব রাগ হতো অন্যপ্রকাশের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখে। এই সব দেখেই

জীববিবর্তন সাধারণ পাঠ বইয়ের একটি সাধারণ আলোচনা

“অতিকায় হস্তি লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া রহিয়াছে।” দুনিয়াতে জীবজগতের বিভিন্ন প্রজাতির অভিযোজিত হয়ে টিকে থাকাটাই বড় স্বার্থকতা। আমাদের চারপাশে জীবন্ত সব কিছু মিলে তৈরী হয় জীবজগত। অর্থ্যাৎ অতি বৃহৎ তিমি থেকে একেবারে অতি ক্ষুদ্র অনুজীব পর্যন্ত সমস্ত জীবন্ত প্রানী বা উদ্ভিৎ কেই জীবজগত বলা হয়ে থাকে। বৈচিত্র্যময় এই দুনিয়ায় বিচরণ করে বিচিত্র সব জীব।এই জীববৈচিত্র ও অভিযোজনের মূলে রয়েছে জীববিবর্তন। প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বের মাধ্যমে জীববিবর্তন কে বিজ্ঞানীমহলে তুলে ধরেন চার্লস ডারউইন। অনেক বিজ্ঞানীদের মতে ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন’ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তত্ত্বগুলোর একটি।

About Me

নামঃ পারভেজ রাকসান্দ কামাল

পেশাঃ প্রকৌশলী (পুর),

Pages

Facebook comments