Blogs

বঙ্গবন্ধু

জীবন আঙিনায় সূর্যোদয় তুমি
উপহার দিয়েছ প্রিয় স্বদেশ ভূমি
লাল সবুজের বুকে তুমিই রং লাল
তোমার আদর্শে শুরু প্রতিটি সকাল

৫২ তে ভাষার জন্য করলে কারাবরণ
৬২ তে করলে শুরু স্বাধীকার আন্দোলন 
মুক্তির সনদ ৬ দফা উপহার পেল বাঙালী ৬৬ তে এসে
৬৯ এর ষড়যন্ত্রে গ্রেফতার করে সরকারই গেল ফেঁসে
৭০ এর নির্বাচন
জনতার সমর্থন
৭১ এর ৭ ই মার্চ তোমার শানিত ভাষণ
স্বাধীনতার ডাকে, পরাজিত দু:শাসন 
তোমার নেতৃত্বে বাঙালী পেল স্বাধীনতা

নাড়ির টান

স্বভাবসুলভ আড্ডাবাজ

মুক্তির খাঁচা

কি হে শংখচিল
ডানায় রৌদ্রের রং মুছে

স্পর্শ

যে আঙুলগুলো অবিন্যস্তভাবে খেলা করত 

যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি

দেশ স্বাধীন হল এর কয়েক মাস পরই। বিজয়ের পর এক দশক, দুই দশক করে চার দশক পার করেছে স্বাধীন বাংলাদেশ। রফিক আর বিয়ে থা করে নাই। শর্মিলার বাবা কে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দেখে রেখেছে। বুকের ভিতর লোনা ব্যাথা নিয়ে রফিক আজও শহীদ মিনার বা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শর্মিলার স্পর্শ পায়। মাঝে মাঝে ভাবে এক অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখত শর্মিলা। মনে মনে বলে, “ তোমাকে হারিয়ে শর্মি আমি মুক্ত স্বদেশ পেয়েছি। বলতে পার তোমার দামে কিনেছি বাংলাদেশ। দেশ কে সাম্প্রদায়িকতা থেকে মুক্ত করার আর দেশ গড়ার যুদ্ধটা আজও চলছে। তারপরই আমি ফিরে আসব তোমার কাছে।”

হলুদ গাঁদা ফুল

শহরের অদূরে একটি বস্তি। আর সেই বস্তিতে বেশ কয়েকটি ঝুপড়ির মত ঘর। প্রতিটি ঘরে ছেলে-বৌ-নাতি-নাতনি নিয়ে বাসিন্দা অনেক। সেই সব নানারকম মানুষের পেশা নানামুখি। কেউ হয়ত রিকশা চালায় তো কেউ চালায় ট্রাক-বাস আবার কেউ বাসা-বাড়িতে কাজ করে তো কেউ চাকরি করে গার্মেণ্টসে। আসলে সমাজের উচু শ্রেনীর মানুষদের ফুট-ফরমায়েশ খাটা আর তাদের সেবা করে যে আয় হয় তাই দিয়ে জীবন চালায় এখানকার বস্তিবাসি। সকলের পেশা বা চাল-চলন আলাদা হলেও একে অপরের খোঁজ খবর ঠিকই রাখে। বিপদে আপদে পাশে থাকে। 

একটি অপূর্ণ ভালবাসা লেখক : রেজওয়ানা নাসরীন চৌধুরী

ছোট সংসারঅজিত আর নীলার। বছর তিনেক হলো বিয়ে হয়েছে। এখনও ছেলে মেয়ে ঘরে আসেনি। অজিত একটা প্রাইভেট ফার্মে চাকরী করে, মাইনে ভালই। দুজনের এতে বেশ চলে যায়। নীলা পড়াশুনার পাট বছর খানিক চুকিয়ে, এখন একটা স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেছে মাস ছয়েক হয়েছে। দুজনের বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে থাকেন। মাঝে মাঝে এসে ছেলে মেয়েদের কাছে থেকে যান আর দেখেও যান। খুব সুখি না হলেও তাদের বোঝাপড়া ভাল বলেই সকলে জানে।

ঘৃনিত জীবন


Pages

Facebook comments

Subscribe to RSS - blogs