July 2014

এলোমেলো ভাবনা


সুন্দরীতমা


সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে বাংলাদেশের সংস্কৃতি

ছেলেবেলার অনেক পুরাতন পড়া মনের মধ্যে উকি দিয়ে যায়। ‘মানুষ সামাজিক প্রাণী’ তেমনি একটি পড়া। সমাজবিজ্ঞান বইতে পড়েছিলাম। সমাজের ভিতরে কাধে কাধ মিলিয়ে চলতে চলতে মানুষের মাঝে একধরণের ভাল লাগা-মন্দ লাগা, কিছু রীতি-নীতি, নিয়ম-কানুন গড়ে ওঠে। তাকে সমাজবিজ্ঞানীদের ভাষায় সংস্কৃতি বলা হয়ে থাকে। প্রতিটি সমাজ-দেশ-জাতির একটি নির্দিষ্ট সংস্কৃতি আছে। প্রতিটি মানুষ তার জন্মের পর থেকে সেই নির্দিষ্ট সংস্কৃতির পরিমন্ডলে বেড়ে ওঠে। যাকে কেন্দ্র করে মানুষের ব্যক্তিত্ব-জীবনবোধ-সততা-আদর্শ আবর্তিত হয়। তাই আমার মনে হয় একটি দেশের সংস্কৃতি সেই জাতির পরিচয়পত্রের মতো। জাতিগতভাবে বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট সংস্কৃতি আছে। সেটাই আ

আমাদের পর্যটন শিল্প আমাদেরকেই বাচাতে হবে।

আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী! ওগো মা তোমায় দেখে দেখে আখি না ফেরে!… প্রতিটি সন্তানের চোখে যেমন সবচেয়ে সুন্দরতম মুখটি হল তার মায়ের, তেমনি প্রতিটি মানুষের কাছে মা-মাটি-দেশকে নিয়ে লেখা গান-কবিতা সবচাইতে শ্রুতিমধুর পঙতিমালা। কী অসাধারণ হৃদয়গ্রাহী করে রবিঠাকুর বাংলার রূপকে তার লেখা আর সুরের ক্যানভাসে তুলে এনেছেন। কবিতার মত যেন এই দেশ। ছন্দে-বর্ণে-গন্ধে সেই রূপ যেন বাংলার প্রতি অঙ্গে অঙ্গে ঠিকরে বের হচ্ছে।

যানজটের গ্যাড়াকলে চিড়েচ্যাপ্টা জীবনঃ মুক্তির উপায় কি?

ঢাকার বয়স বেড়ে গেছে। প্রায় ৪০০ বছর তার রাজধানী হবারই বয়স। একসময় তার রূপে মুগ্ধ হয়ে - একপাশে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গার টানে বহু বণিক সম্প্রদায় বাণিজ্য করতে এখানে এসেছে। এই এতগুলো বছরে মোঘল-ইংরেজ-পাকিস্তান-বাংলাদেশ কত শাসনামল দেখেছে আমাদের অতি প্রিয় ঢাকা শহর। সেই ঢাকা শহর কে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের জরিপ বিশ্বের সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহরের তিলক একে দিয়েছে (সুত্রঃ প্রথম আলো ১৪ই আগষ্ট,২০১২)। আজকের ঢাকা সব সৌন্দর্য্য হারিয়ে যান্ত্রিক নগরীতে পরিনত হয়েছে। দেড় কোটিরও বেশি জনসংখ্যার চাপাচাপিতে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত। অনেক নাগরিক সমস্যা তে জর্জরিত। যানজট সে

সাইবার অপরাধের বিষ মুক্তি

“যে পথ সকল দেশ পারায়ে উদাস হয়ে যায় হারায়ে.... সে পথ বেয়ে কাঙাল পরান যেতে চায় কোন্ অচিনপুরে।।"

খাবার যখন বিষ !!!

জ্যৈষ্ঠ মাস হলো বাংলার মধুমাস। বাজারে গেছি আম কিনতে। আমের যা দাম তাতে আমের গায়ে হাত দেয়াটা রীতিমত কষ্টকর। তারপরও বছরের আম বলে কথা। না খেতে পারলে কি আশ মেটে! দোকানদারের সাথে দামদর করছি। পাশের দোকানে উচ্চস্বরে রেডিও বাজছে। ‘...লইজ্জা!...আরে ওইখানেও প্রিজারভেটিভ আছে...।’ হঠাৎ শুনতে পেলাম পিছনে একটি বাচ্চা মেয়ে তার বাবা কে প্রশ্ন করছে, ‘বাবা প্রিজারভেটিভ কি?’ প্রশ্নটা শুনে নিজেই কেমন যেন হকচকিয়ে গেলাম। তাইতো প্রিজারভেটিভ জিনিষটা কি?

Pages