বাংলাদেশ

বাউলসুরে ভেসে আসে

জননেত্রী

বুবু তোমার হাতে

বিবাহবার্ষিকী

সেদিনের সেই স্বর্ণালী সন্ধ্যায়
বসন্তের মাতাল রজনীগন্ধায়
শপথ নিলাম পথ চলব দুজনে 
বাঁধা পড়িলাম সেই ২রা ফাল্গুনে 
পাঁচ বছর তো এমন বেশী কিছু নয়
সাদা কালো রং বেরঙে কেটে গেল সময়

উৎসর্গ

১)
উনিশ নম্বর চৌধুরী লে

যতীন বাবুর ছায়া

১) খুব ভোরবেলার দিকে যতীন সাহেব টেবিলে কাজ করতে করতে টুপ করে মরে গেল। এই মৃত্যুটি অকাল মৃত্যু না হলেও নামকরা ব্যাক্তিবর্গের মৃত্যুতে অকাল প্রয়াণ শব্দটি লিখবার সময় কলমের ডগায় চলে আসে। একটু যেন কোথায় হায় হায় ভাবটা বিরাজ করে ‘অকাল প্রয়াণ’শব্দটির মাঝে। এমনিতে নিরোগ শরীরের অধিকারী হলেও যতীন সাহেবের বয়সকাল যথেষ্ঠই হয়েছিল। বলতে গেলে মরবার বয়স তাঁর ক্রমেই পার হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ওই যে বলছিলাম তারকা শ্রেণীর নামকরা ব্য

দীর্ঘশ্বাস


ইচ্ছে হলে স্বপ্ন কুড়ায়
নতুন রঙের ঘুড্ডি উড়ায়
জীবন মেঘের ছোট্ট চুঁড়ায়
তোমার আমার খুন্তি কড়াই

গন্ধ ভরা জামার ভাঁজে
এলো চুলে চিরুনীর খাঁজে
লাজ সকালে বসন্ত সাজে
তোমার আমার ঘন্টা বাজে

পায়ে চলার পথের বাঁকে
অনেক কিছু গল্প থাকে
তিথিডোরে ঝাঁকে ঝাঁকে
তোমার আমার স্মৃতি ডাকে

হাত বাড়ালে রাত জোছনা
রুটিনে চলেছি আমরা দু’জনা
সংসার কর্তব্যে বাঁধা ধিন তানা

বঙ্গবন্ধু

জীবন আঙিনায় সূর্যোদয় তুমি
উপহার দিয়েছ প্রিয় স্বদেশ ভূমি
লাল সবুজের বুকে তুমিই রং লাল
তোমার আদর্শে শুরু প্রতিটি সকাল

৫২ তে ভাষার জন্য করলে কারাবরণ
৬২ তে করলে শুরু স্বাধীকার আন্দোলন 
মুক্তির সনদ ৬ দফা উপহার পেল বাঙালী ৬৬ তে এসে
৬৯ এর ষড়যন্ত্রে গ্রেফতার করে সরকারই গেল ফেঁসে
৭০ এর নির্বাচন
জনতার সমর্থন
৭১ এর ৭ ই মার্চ তোমার শানিত ভাষণ
স্বাধীনতার ডাকে, পরাজিত দু:শাসন 
তোমার নেতৃত্বে বাঙালী পেল স্বাধীনতা

নাড়ির টান

স্বভাবসুলভ আড্ডাবাজ

মুক্তির খাঁচা

কি হে শংখচিল
ডানায় রৌদ্রের রং মুছে

স্পর্শ

যে আঙুলগুলো অবিন্যস্তভাবে খেলা করত 

Pages

Facebook comments

Subscribe to Raksand's RSS